বিশেষ প্রতিনিধি, Juber Ahmed।।
রাজধানীর মহাখালী থেকে গুলশান যেতে হাতের বাঁ দিকে কড়াইল বস্তি। বস্তির পথে সড়কে শখানেক অবৈধ দোকান। বস্তিটিতে ঘর আছে সাত হাজারের বেশি।
কড়াইল বস্তিকেন্দ্রিক অবৈধ দোকান, ঘরভাড়া ও সেবা–সংযোগ এবং নৌকার ঘাট থেকে মাসে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা তোলা হয় বলে পুলিশের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তালিকায় চাঁদা তোলার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি হিসেবে নাম এসেছে কড়াইল বস্তি ইউনিট বিএনপির সদস্য মো. সাজিদ মিয়া, মো. হানিফ মিয়া; স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মো. বাদল মিয়া, মেহেদী হাসান মিশু ও মোহাম্মদ আলীর।
অন্যদিকে তাঁদের আশ্রয়দাতা হিসেবে নাম দেওয়া হয়েছে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি–সমর্থিত সাবেক কমিশনার আবদুল আলিম (নকি) এবং ২০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য আবুল কালাম আজাদের।
অভিযোগের বিষয়ে আবদুল আলিমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করে সাড়া পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য নয়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তালিকায় তাঁর নাম দিয়েছে। তবে তিনি এও বলেন, মহাখালী এলাকায় বড় বড় চাঁদাবাজি হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন এই চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। তাঁদের কারণে দলের বদনাম হচ্ছে।
আবুল কালাম আজাদ আরও দাবি করেন, তালিকায় নাম আসার বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ও আবদুল আলিম বনানী থানায় গিয়েছিলেন। পুলিশ তালিকায় তাঁদের নাম দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।